| ১ জুন ২০০৬ |
** SHUJAN– A CITIZENS’ INITIATIVE FOR GOOD GOVERNANCE
সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক
''প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা
থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে এবং
প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ
নিশ্চিত হইবে
৷" গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান, অনুচ্ছেদ: ১১
৷
সুজন কেন?
বহু
আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে অমিত সম্ভাবনা নিয়ে বাংলাদেশ সৃষ্টি হলেও জাতি হিসেবে
আজ আমরা চরম সংকটের মুখোমুখি
৷
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন, সুশাসনের অভাব এবং সাধারণ মানুষের আর্থসামাজিক অনুন্নয়ন ও
তাদের প্রতি ব্যাপক বঞ্চনা এই সংকটের মূল কারণ
৷
এই দুর্বিষহ অবস্থার প্রেক্ষাপটেই সম্প্রতি
মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে ধর্মের অপব্যাখ্যার নামে উগ্রবাদ, যা আমাদেরকে এক অনিশ্চিত
ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে ৷ সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, "প্রজাতন্ত্রের সকল
ক্ষমতার মালিক জনগণ..." ৷ কিন্তু জনগণের এই ক্ষমতা হাতছাড়া হয়ে গিয়েছে ৷ তারা
বহুলাংশে তাদের মালিকানা হারিয়ে ফেলেছে রাজনীতি ও প্রশাসনের সাথে জড়িত একদল
স্বার্থান্বেষী ব্যক্তিদের কাছে ৷ এ সকল ব্যক্তিরা হয়ে পড়েছে প্রভু, আর জনগণ যেন
তাদের আজ্ঞাবহ করুণার পাত্র ৷ কেন্দ্রীভূত শাসন ব্যবস্থা ও একধরনের নির্বাচিত
প্রতিনিধিদের যথেচ্ছাচার এর জন্য মূলতঃ দায়ী ৷ আমাদের বহু কষ্টার্জিত স্বাধীনতাকে
অর্থবহ করে তুলতে হলে, জরুরি ভিত্তিতে এ অবস্থার বিহীত হওয়া প্রয়োজন ৷
রাষ্ট্র
পরিচালনার গুরুদায়িত্ব রাজনীতিবিদদের, অন্য কারো নয় ৷ তাই তাদের নেতৃত্ব এবং যথাযথ
রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বিরাজমান সকল সমস্যার সমাধান হতে হবে - অন্য কোন
বিকল্প, অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নয় ৷ এ জন্য প্রয়োজন হবে দেশে সুস্থ, স্বচ্ছ ও
দায়িত্বশীল রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করা ৷ রাজনীতিকে কালোটাকা ও পেশীশক্তির মালিক তথা
দুর্বৃত্তদের কবল থেকে রক্ষা করা ৷ সর্বোপরি যথাসময়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের
মাধ্যমে সত্, যোগ্য এবং জনকল্যাণে নিবেদিত ব্যক্তিদের অর্থাত্ সজ্জনদের
অর্থবহভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সুযোগ করে দেয়া ৷ যাতে দেশে সত্যিকারের জনগণের
শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় ৷ তা না হলে কোন পরিবর্তনই সম্ভব হবে না ৷
বর্তমান
পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের আকাঙ্ক্ষা অমূলক ৷ আমাদের দুর্বৃত্তায়িত
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সজ্জনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা প্রায় অসম্ভব ৷ এ জন্য প্রয়োজন
হবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হিসেবে নির্বাচন পদ্ধতির উত্কর্ষ সাধন ৷ আরো
প্রয়োজন হবে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান সমূহের আমূল সংস্কার, বিশেষতঃ নির্বাচন
কমিশনকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করা, স্বাধীনচিত্তের ব্যক্তিদের এতে মনোনয়ন প্রদান করা
এবং প্রশ্নাতীতভাবে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা ৷
তবে
সর্বাধিক নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং সর্বোচ্চ স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের
পক্ষেও সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয়, যদি রাজনৈতিক দলগুলো
গণতান্ত্রিক রীতিনীতি চর্চা না করে এবং তাদের মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় সংস্কার আনা না হয়
৷ এছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন হলেও সজ্জনের শাসন নিশ্চিত নয় ৷ তাই আমাদের দুর্বৃত্তায়িত
ও নীতি বিবর্জিত রাজনীতির সমস্যা সমাধানের জন্য সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনই যথেষ্ট
নয় ৷
মনোনয়ন
প্রক্রিয়ায় সংস্কারের লক্ষ্য হওয়া প্রয়োজন কালোটাকার মালিক, সন্ত্রাসী এবং ঋণ ও বিল
খেলাপীদেরকে মনোনয়নের সুযোগ না দেয়া ৷ যাতে রাজনীতিতে দুর্বৃত্তদের সমাগমের পথ
রুদ্ধ হয় ৷ রাজনীতি আবারো হয়ে ওঠে দেশপ্রেম প্রদর্শনের এবং জনকল্যাণ সাধনের
সর্বোত্তম ক্ষেত্র ৷ মানুষের কল্যাণে সোচ্চার ও তাদের ন্যায্য অধিকারের রক্ষক ৷
রাজনীতিবিদদের ওপর জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা আজ অত্যন্ত জরুরি ৷
রাজনীতির
গুনগত মানে সত্যিকারের পরিবর্তন সম্ভব হবে যদি রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের সংস্কারের
উদ্যোগ গ্রহণ করে- দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের চর্চা করে, দলের আর্থিক লেন-দেনে
স্বচ্ছতা প্রদর্শন করে মনোনয়ন প্রদানের ক্ষেত্রে দলের প্রাথমিক সদস্যদের মতামত
পদ্ধতিগতভাবে নেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করে, মনোনয়নকামীদের দলের ৫ বছরের সক্রিয় সদস্যপদ
থাকার বাধ্যবাধকতা আরোপ করে, এবং বিত্তশালীদের অর্থের বিনিময়ে রাজনৈতিক ক্ষমতা
ক্রয়ের সুযোগ প্রদান না করে ৷ এ সকল সংস্কার নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন
বাধ্যতামূলক করা আবশ্যক ৷ পৃথিবীর অনেক দেশেই, এমনকি প্রতিবেশী ভারত এবং নেপালেও
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে সকল রাজনৈতিক দল নিবন্ধিত ৷
রাজনৈতিকদল গণতন্ত্রের ইঞ্জিন বা চালিকাশক্তি ৷ ইঞ্জিন ছাড়া কিংবা বিকল ইঞ্জিন
সম্পন্ন বাহনও বিকল ৷ তাই গণতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও দায়বদ্ধ রাজনৈতিক দল ছাড়া গণতন্ত্র
বিফল হতে বাধ্য ৷ এ কারণেই রাজনৈতিক দলের সংস্কার ও নিবন্ধন জরুরি ৷
সুষ্ঠু ও
অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে জনকল্যাণকামী সজ্জনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলেই দেশে সুশাসন
প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হবে ৷ সুশাসন মানে আইনের শাসন, মানবাধিকার সংরক্ষণ, সমতা,
ন্যায়-পরায়ণতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে জনগণের কার্যকর
অংশগ্রহণ ইত্যাদি ৷ সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলেই গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার সম্ভব হবে ৷ যার
মাধ্যমে সাধারণ জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং তাদের প্রতি বঞ্চনা অবসানের সুযোগ
সৃষ্টি হবে ৷ এ জন্য অবশ্য প্রয়োজন হবে ক্ষমতা ও সম্পদের ব্যাপক বিকেন্দ্রীকরণ এবং
শক্তিশালী ও স্বায়ত্ত্বশাসিত স্থানীয় শাসন ৷ গণমুখী প্রশাসন ৷ আরো প্রয়োজন হবে
আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশার ভিত্তিতে জনগণকে জাগিয়ে তোলা এবং
তাদেরকে, বিশেষতঃ নারীদেরকে সংগঠিত করা এবং তাদের সম্পদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত
করা ৷
সুজন-এর সৃষ্টি
সুষ্ঠু ও
গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে সজ্জনের শাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম
করার লক্ষ্যে গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রাক্কালে, ২০০২ সালের নভেম্বর মাসে
'সিটিজেনস্ ফর ফেয়ার ইলেকশনস্' নামে দেশের একদল বরেণ্য ব্যক্তির উদ্যোগে জাতীয়
পর্যায়ে একটি নির্দলীয় নাগরিক ফোরাম গঠিত হয় ৷ এ ফোরামের প্রচেষ্টা ছিল নির্বাচনে
অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের সম্পর্কে ভোটারদের তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করার
লক্ষ্যে একটি 'তথ্যভিত্তিক ভোটার ক্ষমতায়ন' প্রক্রিয়া শুরু করা ৷ যাতে জনগণ
জেনে-শুনে-বুঝে সজ্জনের পক্ষে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে ৷ পৌর নির্বাচনের সময়
অনেকগুলো এলাকায় এবং জাতীয় সংসদের কয়েকটি উপ-নির্বাচনেও এ কার্যক্রম পরিচালনা করা
হয় ৷ এছাড়াও প্রার্থীদেরকে ভোটারদের মুখোমুখি করা হয় ৷ নির্বাচিত প্রতিনিধিদের
জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্বাচন পরবর্তীকালেও অনেকগুলো এলাকায় মুখোমুখি
অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ৷ এ সকল কার্যক্রম আয়োজনের মাধ্যমেই সংগঠিত হতে থাকেন
বিভিন্ন এলাকার সচেতন নাগরিকবৃন্দ ৷ তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় জেলা, উপজেলা ও
ইউনিয়ন পর্যায়ে সংগঠনের বিস্তার ঘটে ৷ কার্যক্রমের পরিধি বিবেচনা করে ২০০৩ সালের
ডিসেম্বরে 'সিটিজেনস্ ফর ফেয়ার ইলেকশনস্'-এর নতুন নামকরণ করা হয়
'সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক' ৷
সুজন-এর কার্যক্রম
সুজন-এর
প্রধান উদ্দেশ্য হলো নির্বাচন প্রক্রিয়াকে অর্থবহ ও গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যে
ভোটারদেরকে তথ্যভিত্তিক ক্ষমতায়নের সাথে সাথে সর্বস্তরে সুশাসন ও গণতন্ত্র
প্রতিষ্ঠার জন্য নাগরিকদেরকে সচেতন, সংগঠিত ও সোচ্চার করা ৷ বিশেষতঃ তাদেরকে
রাজনৈতিকভাবে সচেতন এবং মৌলিক অধিকার অর্জনে সক্রিয় করা ৷ নির্বাচিত প্রতিনিধিদের
জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা ৷ রাষ্ট্রের মালিক হিসেবে নাগরিকের সোচ্চার ও সক্রিয়
ভূমিকার ফলেই পরিবর্তন সম্ভব, কারণ একটি রাষ্ট্রে নাগরিকের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ
কোন পদ নেই ৷
সুজন-এর আরেকটি উদ্দেশ্য হলো গণতান্ত্রিক পদ্ধতি বা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ও
গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় সংস্কারের লক্ষ্যে এডভোকেসি ও সুস্পষ্ট
উদ্যোগ গ্রহণ করা ৷ একই সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর গণতান্ত্রিক রীতিনীতির চর্চার
মাধ্যমে একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রবর্তন ও দলগুলোর বাধ্যতামূলক নিবন্ধন তথা
সদাচারণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রেসার গ্রুপ হিসেবে ভূমিকা পালন করা ৷ না ভোটের
বিধানসহ কতগুলো পদ্ধতিগত সংস্কার এবং স্বাধীন ও স্বাধীনচেতা ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত
নির্বাচন কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এগুলোর পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে
চাপ সৃষ্টি করা ৷ যাতে রাজনীতি আবারো হয়ে ওঠে সত্যিকারের রাজনীতিবিদদের চারণভূমি ৷
এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে 'সুজন' কেন্দ্রীয়ভাবে এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে কর্মশালা, মতবিনিময়
সভা, সাংবাদিক সম্মেলন, মানববন্ধন প্রভৃতি কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে ৷
আমরা আশা করছি, এরই ফলে আমাদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অর্থবহ হবে ও প্রাতিষ্ঠানিক
রূপ লাভ করবে ৷ উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কায়েমের মাধ্যমেই উগ্রবাদের অবসানের পথ
সুগম হবে ৷
কার্যক্রম পরিচালনা
সুজন-এর
কার্যক্রম পরিচালিত হয় কেন্দ্রীয়, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে গঠিত কমিটির
মাধ্যমে ৷ এ সকল কমিটি সাধারণতঃ গঠিত হয় সমাজের সকল স্তরের ১৯ জন প্রতিনিধি নিয়ে ৷
কেন্দ্রীয় কমিটিতে ১ জন সভাপতি, ২ জন সহ-সভাপতি, ১ জন সম্পাদক, ১ জন সহ-সম্পাদক, ১
জন কোষাধ্যক্ষ এবং অনধিক ১৩ জন সদস্য অন্তর্ভূক্ত ৷ তবে স্থানীয় বাস্তবতার বিবেচনায়
অন্যান্য কমিটির সদস্য সংখ্যা নির্ধারিত হয় ৷
জেলা, উপজেলা
ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটি সুজন-এর চেতনা, আদর্শ ও নীতিমালার আলোকে স্থানীয় বাস্তবতার
নিরীখে পরিচালনা করে ৷ স্থানীয় পর্যায়ে সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে
নিজস্ব সম্পদ ও নেতৃত্বে ৷ কেন্দ্রীয় কমিটি এবং স্থানীয় কমিটিগুলিও একে অপরকে
সহায়তা করবে, কিন্তু কোন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেবে না বা কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করবে না
৷ দল নিরপেক্ষতা, কার্যক্রমে একতা, সততা, স্বচ্ছতা ও সমতার চর্চার এবং
অসাম্প্রদায়িক চেতনা সুজন-এর সকল কর্মকাণ্ডের নীতিগত ভিত্তি ৷
আপনার অংশগ্রহণ জরুরি
সুজন
দাতাদের অর্থে পরিচালিত এনজিও সংগঠন নয় ৷ এটি একটি স্বেচ্ছাব্রতী, নির্দলীয় নাগরিক
উদ্যোগ ৷ একদল সচেতন নাগরিকের সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার চেতনা থেকে এর সৃষ্টি ৷ এর
সাথে সংশ্লিষ্ট নাগরিকদের নেতৃত্ব ও মূলতঃ নিজেদের অর্থায়নে এটি পরিচালিত ৷ দেশের
একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এতে আপনার অংশগ্রহণ জরুরি ৷ কারণ 'ফ্রিডমও ফ্রি নয়' - এর
জন্য প্রয়োজন নাগরিকের নিরন্তর সতর্কদৃষ্টি ৷
আরেকটি কারণে সুজন-এর কার্যক্রমে আপনার অংশগ্রহণ জরুরি ৷ দেশের বর্তমান দুর্বিষহ
পরিস্থিতির অবসান ঘটবেই ৷ আমাদের অতীত ইতিহাসের শিক্ষা হল যে, বাংলাদেশে কোন
অনাচার-অবিচার চিরস্থায়ী হয় নি ৷ তাই বর্তমান অমানিশার কালোছায়াও দূরীভূত হবে ৷ তবে
পরিবর্তন কত দ্রুত হবে এবং কীভাবে ঘটবে তা নির্ভর করে আমাদের মত নাগরিকের ওপর ৷
আমাদের উদ্যোগের বা উদ্যোগহীনতার ওপরই নির্ভর করবে পরিবর্তন কোন পথে আসবে - উগ্রবাদ
ও কুপমণ্ডুকতার পথে, না প্রগতি ও উন্নতির পথে ৷ সিদ্ধান্ত আমাদের - সচেতন নাগরিকদের
৷
সুজন সদস্য ফরম
সুজন-এর সদস্য হওয়ার জন্য ফরমটি ডাউনলোড করে যথাযথ ভাবে পুরণ করুন এবং ইমেল বা পোষ্ট করে পাঠিয়ে দিন। ফরম ডাউলোড *(ইমেল ও ঠিকানা )
** SHUJAN– A CITIZENS’ INITIATIVE FOR GOOD GOVERNANCE
|
For technical
information contact:
webmaster |