সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য
সত্,
যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত ব্যক্তির নেতৃত্ব প্রয়োজন
|
গত
২৮ নভেম্বর, ২০০৪ ধানমন্ডিস্থ উইমেন ভলান্টিয়ারস্
এসোসিয়েশন
(ডব্লিউভিএ)
মিলনায়তনে নির্বাচনী সংস্কার বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায়
দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে নির্বাচন ব্যবস্থাকে সর্বাধিক
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে নির্বাচনী সংস্কার প্রসঙ্গে
বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সুশাসন
প্রতিষ্ঠার জন্য সত্,,
যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত ব্যক্তির নেতৃত্ব প্রয়োজন বলে আলোচকগণ অভিমত
ব্যক্ত করেন।
এই দৃষ্টিভঙ্গী থেকে প্রার্থী নির্বাচনের উপর সবিশেষ গুরুত্বারোপ করে
বলা হয় নির্বাচনী সংস্কার হওয়া উচিত দেশের স্বার্থে, জনগণের
স্বার্থে-জনগণের কল্যাণে এবং এক্ষেত্রে সচেতন নাগরিক সমাজের একটি
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
|
![]() |
|
|
সুজন-সুশাসনের জন্য
নাগরিক-এর আয়োজনে এবং নাগরিক উদ্যোগ ও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশের
সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায়
সুজন-এর আহবায়ক বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মোজাফ্ফর
আহমদ সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করেন।
এতে আরো উপস্থিত ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা জনাব এম
হাফিজউদ্দিন খান, সুজন-এর সদস্য সচিব, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশের
কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. বদিউল আলম মজুমদার, নাগরিক উদ্যোগের পরিচালক জনাব
জাকির হোসেন, সুপ্র'র পরিচালক মোঃ আমিনুর রসুল, বিসিএএস-এর দ্বিজেন মল্লিক,
ডব্লিউবিবি'র
প্রতিনিধি অমিত রঞ্জন দে, স্থানীয় সরকার উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরামের
সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত আচার্য্য প্রমুখ। |
||
![]() |
দেশে গণতন্ত্র, সুশাসন ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নির্বাচনী সংস্কার তথা ব্যাপক রাজনৈতিক সংস্কার নিয়ে একটি কর্মকৌশল প্রণয়নের উদ্দেশ্যেই মূলতঃ এ কর্মশালাটি পরিচালিত হয়। কর্মশালায় ব্রেইন স্টর্মিং পদ্ধতিতে উল্লেখিত বিষয়ের সমাধান অনুসন্ধান এবং উপস্থাপন করা হয়। আলোচনায় চার ধরনের সংস্কারের উপর জোর দেয়া হয়- ১. নির্বাচনী আইনঃ প্রার্থীর তথ্য প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ, নির্বাচনী বিধি ইত্যাদি ২. পদ্ধতিগতঃ ক্ষমতার মেয়াদ, নির্বাচনী মামলা, ফ্লোর ক্রসিং, নারী প্রতিনিধিত্ব ইত্যাদি, ৩. শাসন সংক্রান্তঃ গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণ, মানবাধিকার কমিশন, বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ প্রভৃতি ও ৪. |
|
|
প্রাতিষ্ঠানিকঃ
রাজনৈতিক দলগুলোতে গণতন্ত্রের চর্চা, নির্বাচন কমিশনের সংস্কার,
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রভৃতি।
|
||
|
কর্মশালায় মোট পাঁচটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় - ১. সত্,, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থী নির্বাচনের পক্ষে প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, ২. আইন বিশেষত নির্বাচনী আইন সম্পর্কে জনগণকে সচেতন ও সজাগ করা, ৩. সুস্পষ্ট আইনগত সংস্কার ও তার যথাযথ বাস্তবায়ন, ৪. সমমনা ইতিবাচক ব্যক্তি, সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানকে একত্রিত ও সংগঠিত করা এবং ৫. বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও প্রার্থীদের নানাপ্রকার তথ্য সম্বলিত একটি ডাটাবেজ প্রতিষ্ঠা । আগামী ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে বৃহত্তর পরিসরে আরেকটি এধরনের কর্মশালার আয়োজন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় আজকের এই কর্মশালায় ৷ কর্মশালায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, আগামী বছরের জানুয়ারী মাসের মধ্যে দেশের সমস্ত বিভাগীয় সদরে 'রাজনৈতিক সংস্কার বিষয়ক কর্মশালা'র আয়োজন করা হবে । এলক্ষ্যে কর্মশালায় উপস্থিত বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে একটি নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা ও গৃহীত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করার জন্য ঐকমত্য সৃষ্টি হয়েছে । |
||
© 2004 SHUJAN. All rights reserved.