|
ভারতের ভোটার
সচেতনতা কার্যক্রম |
|
সাইফ উদ্দিন আহমেদ, প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ |
সম্প্রতি
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ও দ্য ডেইলী স্টার যৌথভাবে 'বাংলাদেশের রাজনৈতিক
সংস্কার' শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে।
আলোচনায় রাজনৈতিক সংস্কারের প্রক্রিয়ায় ভারতের সফল অভিজ্ঞতার প্রাসঙ্গিকতা তুলে
ধরে 'রাজনৈতিক সংস্কারের প্রক্রিয়া: ভারতের অভিজ্ঞতা' বিষয়ক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন
করেন সুজনের সদস্য সচিব ড. বদিউল আলম মজুমদার।
সুজন এর আহবায়ক অধ্যাপক মোজাফ্ফর
আহমদ সঞ্চালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
'গত ১৪ বছর ধরে এ দেশে যে গণতন্ত্রের চর্চা চলছে, তা মানুষের চাহিদা পূরণ করতে
পারছে না।
মানুষ স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারছে না।
প্রতিদিনই আমরা রাজনৈতিক দূর্বৃত্তায়নের স্বীকার হচ্ছি।
'বাংলাদেশের রাজনৈতিক
পরিস্থিতি সম্পর্কে সাংবাদিক মাহফুজ আনামের এ বক্তব্য দিয়েই আলোচনা
শুরু
হয়।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কার কোন প্রক্রিয়ায় হবে তা নিয়ে ড. কামাল হোসেন, আতাউস
সামাদ, অর্থনীতিবিদ খলীকুজ্জামান, এনজিও প্রতিনিধি, সাবেক আমলা এবং সংসদ সদস্যগণ
আলোচনায় অংশ নেন।
বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে কার্যকর ও সুসংহত করতে প্রার্থী সম্পর্কে ভোটারদের সঠিক
তথ্য প্রদান, নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালীকরণ, ভোটার তালিকা সংশোধন, রাজনৈতিক
দলগুলোর মধ্যে আভ্যন্তরীন গণতন্ত্র চর্চা, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ এর মতো
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো উঠে আসে রাজনৈতিক সংস্কারের জন্য অগ্রাধিকার হিসেবে।
আমাদের দেশে জনগণ প্রতি ৫ বছর পর পর জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করে।
অনেক ক্ষেত্রেই প্রার্থী সম্পর্কে আগাম কোনো কিছু না জেনেই পরিচিত মার্কায় সিল
দিয়ে জনগণ তার পবিত্র ভোটাধিকার প্রয়োগ করে আসছে।
অথচ এক বোতল পানি কিনলেও আমরা জানি এর মধ্যে কি কি উপাদান আছে, নিশ্চিত হই কোনো
ক্ষতিকর উপাদান আছে কিনা।
অথচ যাদের হাতে আমাদের ভবিষ্যত্ এবং ভবিষ্যত্ প্রজন্মের ভবিষ্যত্ তাদের
সম্পর্কে আমরা আগাম কিছু জানিনা।
জনপ্রতিনিধিদের সম্পর্কে জানা, তাদের সম্পদ-আয়ের উত্স জানা, এলাকা নিয়ে
প্রত্যাশা এবং পরিকল্পনার কথা জানা ভোটারের সাংবিধানিক অধিকার, মৌলিক অধিকার।
কোর্টের হস্তক্ষেপ এবং সচেতন নাগরিকদের সক্রিয় উদ্যোগের ফলে ভারত এ ব্যাপারে
বিরাট সফলতা অর্জন করেছে।
সেখানকার সুপ্রীম কোর্ট ভোটারদের তথ্য জানার অধিকারকে সংবিধানের ১৯ (১) (এ) অনুচ্ছেদে
ঘোষিত বাক-স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের মৌলিক অধিকারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখায়।
কোর্ট বলেছে,
'বাক-স্বাধীনতা
ও মত প্রকাশের অধিকার মানেই নির্বাচনে ভোটারদের স্বাধীনভাবে প্রার্থী নির্ধারণের
অধিকার।
কারণ এ ক্ষেত্রে ভোটাররা মত প্রকাশ করে ভোট প্রদানের মাধ্যমে।'
তাই এদেশের একজন সাধারণ নাগরিকেরও প্রার্থী সম্পর্কে পরিপূর্ণ জানার মৌলিক
অধিকার রয়েছে।
কারন এই প্রার্থীই সংসদে তার প্রতিনিধিত্ব করবেন এবং তার সম্পদ ও স্বাধীনতার
সুরক্ষায় আইন প্রণয়ন করবেন..... সুতরাং একজন আইন ভঙ্গকারীকে আইন প্রণেতা হিসেবে
নির্বাচিত করবেন কি না, তা বিবেচনার জন্য ঐ সাধারণ নাগরিকের অবশ্যই প্রার্থী
সম্পর্কে জানার অধিকার রয়েছে।
এখন ভারতে প্রার্থীদেরকে তাদের নমিনেশন পেপারের সাথে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
প্রদান করতে হয়।
যেমন, প্রার্থী অভিযুক্ত/সাজাপ্রাপ্ত/খালাসপ্রাপ্ত আসামী কি না? হয়ে থাকলে
হাজতবাস বা দন্ডের পরিমান।
মনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার অনধিক ৬ মাস পূর্বে প্রার্থীর বিরুদ্ধে এমন কোনো অপরাধের
অভিযোগ আনা হয়েছে কি না যা ২ বছর বা আরো বেশী হাজতবাসের শাস্তিযোগ্য।
যদি হয়ে থাকে, তবে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ কি কি? এ ছাড়াও জমা দেওয়া হয়
প্রার্থীর এবং তার স্বামী/স্ত্রী ও আশ্রিতের স্থাবর, অস্থাবর, ব্যাংক ব্যালান্স
ইত্যাদি সম্পদের পরিমাণ, রাষ্ট্রীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা সরকারের কাছে তামাদি
বকেয়া আছে কি না এ সম্পর্কিত তথ্য এবং প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার বিস্তারিত
বিবরণ।
প্রক্রিয়াটি ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে অত্যন্ত তাত্পর্যবহ ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব
ফেলেছে।
সাম্প্রতিক
লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রার্থীদের প্রদত্ত এফিডেবিট থেকে ভারতীয় রাজনীতির
ক্রমবর্ধমান দুর্বৃত্তায়নের
প্রামান্য তথ্য পাওয়া যায়।
এফিডেভিডের মাধ্যমে তাদের নিজেদের দেয়া তথ্যানুযায়ী ২০০৪ এর নির্বাচনে বিজয়ী ৫৪২
জনের মধ্যে ১০০ জনেরই অতীত অপরাধের ইতিহাস রয়েছে -এরা প্রায় সকল দলেরই প্রতিনিধি।
ফলশ্রুতিতে বর্তমানে কলংকিত মন্ত্রী/এমপির ইস্যুটি ভারতে জাতীয় ইস্যুতে পরিণত
হয়েছে।
২১ জুন ২০০৪ এ 'দি আউটলুক' বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অপরাধী সাংসদদের হার প্রকাশ করে।
তাদের তথ্যানুযায়ী বিজেপিতে অপরাধী সাংসদের হার ১৯%, কংগ্রেসে ১০%, বিএসপিতে ৩৭%,
সিপিআই (এম) এ ১২%, এনসিপিতে ৫৬%, আরজেডিতে ৪০%, ডিএমকেতে ১৩%, এসসএ ৩৩%।
আমাদের দেশের কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় নেতাদেরও এভাবে সত্যের মুখোমুখি হওয়া প্রয়োজন।
কেন্দ্রীভূত ক্ষমতাকাঠামোই দুর্নীতি ও দু:শাসনকে আমাদের নিত্যসঙ্গী করে তুলেছে।
অর্থনীতিবিদ ড. আবুল বারাকাতের হিসেব অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর ৩১ বছরে বাংলাদেশে
সরকারিভাবে ১ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক ঋন, সাহায্য এসেছে।
এর মধ্যে ৭৫ ভাগই লোপাট করেছে দেশের ভেতরের আমলা, রাজনীতিবিদ, কমিশন এজেন্ট,
পরামর্শক ও নির্মান ঠিকাদাররা।
যাদের নামে সাহায্য এসেছে তারা পেয়েছে মাত্র ২৫ ভাগ।
সরকারি হিসেব অনুযায়ী দেশের ৫ শতাংশ সর্বাধিক ধনী ব্যক্তির জাতীয় আয়ের শেয়ার ১৯৯৬
অর্থবছরের ২৩.৬২ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০০০ অর্থবছরে এসে দাঁড়িয়েছে ৩০.৬৬ শতাংশ।
একই সময়ে ৫ শতাংশ সর্বাধিক দরিদ্রের শেয়ার ০.৮৮ শতাংশ থেকে ০.৬৭ শতাংশে নেমে
এসেছে।
এ অবস্থার অবসান করে আমরা যদি কার্যকর বাংলাদেশ গঠন করতে চাই তবে ভারতের এ
গণতন্ত্রের চর্চার অভিজ্ঞতা আমরা কাজে লাগাতে পারি।
আশার বিষয়, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সত্, যোগ্য ও জনকল্যাণে
নিবেদিত ব্যক্তি নির্বাচিত হয়ে আসার সুযোগ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে বাংলাদেশে একটি
নাগরিক উদ্যোগ সৃষ্টি হয়েছিল নতুন গঠিত একটি বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে।
ভোটাররা প্রার্থীদের সম্পর্কে কি তথ্য জানতে চায় সে সম্পর্কে সুজন প্রথমে একটি
সমীক্ষা চালায়।
ভোটাররা প্রার্থীর বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি জানতে চায় তার আয়, আয়ের
উত্স, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অপরাধ, সম্ভাব্য
নির্বাচনী ব্যয় এবং এলাকার মানুষের উন্নয়নের জন্য তার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা
সম্পর্কে।
ভোটারদের চাহিদা মতো এসব তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের
প্রাক্কালে একটি প্রশ্নপত্র তৈরী করে ৫৫টি ইউনিয়নে তা সফলতার সঙ্গে ব্যবহার করে।
স্থানীয় একদল সম্মানিত ব্যক্তির মাধ্যমে প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলা হয় এবং
তাদেরকে তথ্য দেয়ার ব্যাপারে রাজী করানো হয়।
প্রাপ্ত তথ্যকে বিন্যাসিত করার মাধ্যমে সতর্কতা ও সততার সাথে প্রাথীদের
'প্রোফাইল' তৈরী করে তা জনগণের মাঝে বিতরণ করা হয়।
তথ্যভিত্তিক ভোটার ক্ষমতায়ন প্রক্রিয়ার শেষ পদক্ষেপ ছিলো, নির্বাচনে টাকা খরচ
বন্ধ করার লক্ষ্যে প্রার্থী এবং ভোটারদের মুখোমুখি করা যেখানে জনগণ বিনা দ্বিধায়
প্রশ্ন করতে এবং প্রাথীরা নি:সংকোচে উত্তর দিতে পারবেন।
তৃণমূল পর্যায়ের এ জাতীয় ছোট ছোট উদ্যোগগুলো সফল হলে এর প্রভাব জাতীয় নির্বাচনেও
পড়বে।
এ প্রভাব যত তাড়াতাড়ি পড়বে ততই তা মঙ্গলজনক হবে আমাদের গণতান্ত্রিক চর্চাকে এগিয়ে
নেয়ার জন্য।
আমরা আপামর জনসাধারণ চাই সত্ ও যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে সংসদ গঠিত হোক।
সংসদের মধ্যে অর্থপূর্ণ আলোচনা হোক।
জনপ্রতিনিধিগণ নির্ভয়ে তাদের ভূমিকা পালন করুক।
জবাবদিহিতা দাবী করুক সরকারের কাছে, নিজেরা জবাবদিহি করুক জনগণের কাছে।
কিন্তু এ প্রত্যাশায় বাদ সেধে বসেছে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ।
এখানে বলা আছে 'কোনো রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সাংসদ নির্বাচিত হয়ে
সেই ব্যক্তি যদি ওই দল থেকে পদত্যাগ করেন অথবা সংসদে ওই দলের বিপক্ষে ভোট দেন,
তবে তার আসন শূণ্য ঘোষণা করা হবে।'
এই অনুচ্ছেদের কারণে দলীয় এমপিগণ নীরব হয়ে যান।
তাঁদের মধ্যে ভীতি কাজ করে।
ব্যর্থ মন্ত্রীকে প্রশ্ন করতে পারেন না তাঁর ব্যর্থতা এবং উদ্যোগহীনতা সম্পর্কে।
মাননীয় সংসদ সদস্যগণের মনে রাখা প্রয়োজন তাঁরা সরকারি কর্মকর্তা কিংবা কর্মচারী
নন, তারা ১৪ কোটি
মানুষের প্রতিনিধি
তাঁদেরকে দায়িত্ব পালন করতে হলে মুখ খুলতে হবে, ঝুঁকি নিতে হবে, প্রয়োজনীয়
পদক্ষেপ নিতে হবে।
সর্বোপরি সমাজ, শাসন ব্যবস্থা এবং রাজনীতি থেকে সন্ত্রাস, দুর্নীতি, সাম্প্রদায়িকতা
হটাতে অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে।
আমাদের সাংসদদের জবাবদিহিতা শুধুমাত্র
খালেদা জিয়ার কাছে কিংবা শেখ হাসিনার কাছে না হয়ে জনগণের কাছে হওয়া প্রয়োজন।
জাতীয় সংসদকে অকার্যকর করে সাংসদরা আইন প্রণয়নকে গুরুত্ব না দিয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেন
স্থানীয় পর্যায়ের গমভিত্তিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে নিজেদেরকে সরাসরি জড়িত করার
ব্যাপারে।
স্থানীয়ভাবে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি তথা চেয়ারম্যান, মেম্বারগণ জনগণের ভোটে সরাসরি
নির্বাচিত হয়েও মাননীয় এমপিদের ইচ্ছা অনিচ্ছার উপর চলতে বাধ্য হচ্ছেন।
আমরা যদি সত্যিকার অর্থে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার অবসান করে দরিদ্র, মেহনতী মানুষের
ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন চাই তাহলে অবশ্যই দারিদ্র্য পীড়িত জনগণের কাছে স্বচ্ছতা ও
জবাবদিহিতার ভিত্তিতে অধিক পরিমান সম্পদ
পৌঁছানো
নিশ্চিত করতে হবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে স্থানীয় মানুষের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে
হবে যা স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার
ভিত্তিতে অধিক পরিমান দায়-দায়িত্ব, সম্পদ ও ক্ষমতা প্রদান এবং মানব উন্নয়নমূলক
প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব।
তাই সমন্বিত আইন প্রনয়ন এবং শাসন কাঠামোর সংস্কার প্রয়োজন যাতে স্থানীয় সরকার
প্রতিনিধিগণ সাংসদদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত না হয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে।
প্রক্রিয়াটা অব্যাহত রাখা গেলে শিক্ষিত, সচেতন তৃণমূল প্রতিনিধি পাওয়া যাবে যা
ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরন এর কাজটা ত্বরান্বিত করবে।
আমাদের দেশ নিয়ে বিভিন্ন মহলে 'ভঙ্গুর' 'অকার্যকর' ইত্যাদি শব্দ ব্যবহৃত হচ্ছে।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের চর্চা নেই বললেই চলে।
সরকার দিন দিন সংসদের চাইতে শক্তিশালী হচ্ছে।
তাই জাতি হিসেবে আমাদের এগিয়ে যাওয়ার জন্য একদল সত্,
যোগ্য ও দেশপ্রেমিক
লোকের নির্বাচিত হয়ে আসা প্রয়োজন।
সাধারন মানুষ মুখিয়ে থাকে কবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসবে।
সন্ত্রাসী, মাস্তানরা শীতনিদ্রায় যায় - দিন গুনে কখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ৩ মাস
শেষ হবে।
জনগন স্বপ্ন দেখে নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের, যারা স্থানীয় এবং জাতীয়
নির্বাচনগুলো সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করবে।
ভালো লোকেরা দেশ পরিচালনা করবে।
উন্নয়নের পথের বাধাগুলো সরিয়ে দেবে।
এমতাবস্থায় সুষ্ঠু নির্বাচনী বিধিমালা, নির্ভুল
ও সঠিক ভোটার তালিকা প্রণয়ন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন, স্থানীয় সরকারের
মাধ্যমে দেশ পরিচালনা এবং নিরপেক্ষ, শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠনকে অগ্রাধিকার
দিয়ে রাজনৈতিক সংস্কার কর্মসূচীকে এগিয়ে নিতে হবে আমাদের।
যার যার জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে জনসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে ৷
*সংকলিত কলামটি দৈনিক সংবাদ-এ ১৭ অক্টোবর ২০০৪ তারিখে প্রকাশিত
© 2004 SHUJAN. All rights reserved.